প্রাইভেট ডিটেকটিভ ডেস্কঃ
বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে না এলেও ২০১৪ সালের মতো পরিস্থিতি হবে না বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তার দাবি, বিএনপি না এলেও অনেক দল ভোটে আসবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দশম সংসদ বর্জন করা বিএনপি এবারও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি জানিয়ে যাচ্ছে। তবে এবার সরকারকে মাঠ ছেড়ে না দেয়ার কথাও বলছেন।
এর মধ্যে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার রায় নিয়ে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হচ্ছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা হবে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়।
বিএনপি অভিযোগ করছেন, সরকার খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে আবার একতরফা নির্বাচন করতে চায়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মনে করেছে এবারও তারা নির্বাচনে না এলে আবারও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার একটা ফাঁক তৈরি হবে। কিন্তু তা ভেবে থাকলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন।’
২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট নির্বাচন বর্জন এবং প্রতিহতের ঘোষণা দেয়ার পর ১৫৩ আসনে আওয়ামী লীগ বা জাতীয় পার্টির কোনো একক প্রার্থী থেকে যায়। পরে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন।
দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হলে দেশে আগুন জ্বালানোর ব্যাপারে বিএনপির হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে কাদের বলেন, ‘রায়কে ঘিরে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে জনগণই তা প্রতিহত করবে।’
আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘কী রায় হবে সেটা জানে আদালত। কিন্তু সেটা না জেনেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব আদালতকে হুমকি দিচ্ছেন। বিএনপি এটা করতে পারে না।’
‘ইতোমধ্যে তারা আদালতকে অবমাননা করেছেন। রায়কে ঘিরে কোনো নৈরাজ্যকর অবস্থার সৃষ্টি হলে মোকাবেলা করার জন্য সরকার লাগবে না, জনগণই প্রতিরোধ করবে।’
এর আগে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই সেতু নারায়ণগঞ্জবাসীকে উপহার দেওয়া হলো। এটি নাসিম ওসমানের নামে নামকরণের দাবির বিষয়ে আমি এটি প্রস্তাব করব।’
৪৪৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২০ সালের মধ্যেই এ সেতুর কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন কাদের।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান, জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল্লাহ বাদল প্রমুখ।